প্রবন্ধ -বৃষ্টির ফোঁটায় ফোঁটায় জাগরণ
আষাঢ় ও শ্রাবণ মিলে বর্ষাকাল, যা নিয়ে আসে রিমঝিম বৃষ্টি এবং মুষলধারে বর্ষণ। গ্রীষ্মের ধূলোমলিনতা ধুয়ে প্রকৃতি সবুজের সমারোহে সাজে। বর্ষায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় হয়ে প্রচুর বৃষ্টি হয়, চারপাশে সবুজের আভরণ। কদম, বেলি, বকুল, জুঁই, দোলনচাঁপা, গন্ধরাজ, হাসনুহানার ঘ্রাণে চারপাশ মেতে ওঠে। মেঘলা আকাশ দেখলেই ময়ূর পেখম মেলে নেচে ওঠে।ভেজা মাটির গন্ধ, শীতল বাতাস, আকাশের স্নিগ্ধতায় জীবন নীরবে বদলে যায়। নীরবে বদলে যায় আমাদের মন-মেজাজ। হঠাৎ করেই আমরা দীর্ঘ আলিঙ্গন, আন্তরিক আলাপ, এমনকি নিজেদের ছোট্ট ছোট্ট একটি প্রেমের গল্পের জন্য আকুল হয়ে ওঠি।ভারতে বর্ষাকালকে দীর্ঘকাল ধরেই সবচেয়ে রোমান্টিক ঋতু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বৃষ্টির সঙ্গে আমাদের প্রেম সেই আদিকাল থেকেই। বৃষ্টি আমাদের প্রথম প্রেমিক, প্রথম প্রেমিকা, বর্ষায় জমে ওঠে অনন্য এক প্রেম। বর্ষা নিয়ে রচিত হয়েছে কত যে গল্প, ছড়া, কবিতা, গান তার কোনো শেষ নেই।
সাহিত্য, সংগীত কিংবা বাস্তব জীবনে—বৃষ্টি সবসময়ই ভালোবাসাকে আরও গাঢ় আর আবেগঘন করে তোলে।বর্ষাকাল আবেগ প্রকাশের অন্যতম সময়। কবিরা বর্ষাকে প্রেম-বিরহ ও সৃজনশীলতার ঋতু হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। গাছ-পালা, ফুল সবই।ঋতুর রাগ-রাগিণী কেবল বর্ষার আছে আর বসন্তের।শাস্ত্রীসংগীতে মধ্যে সকল ঋতুরই জন্য কিছু কিছু সুরের বরাদ্দ থাকা সম্ভব, কিন্তু সেটা কেবল শাস্ত্রগত। ব্যবহারে দেখতে পাই, বসন্তের জন্য আছে বসন্ত আর বাহার; আর বর্ষার জন্য মেঘ, মল্লার, দেশ এবং আরো বিস্তর কাছাকাছি।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বর্ষা মঙ্গল এবং অজস্র গানে বর্ষার প্রেমকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বৃষ্টির অঝোর ধারা যেন প্রেমিকার কান্না আর মেঘের ডাক যেন বিরহের বার্তা। বৃষ্টিতে ভিজে প্রিয়জনের হাত ধরে বসে কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে প্রিয় গান শোনার আনন্দই আলাদা।
রিমঝিম বৃষ্টি, একরাশ সজীবতা আর কদমফুলের সুবাস নিয়ে হাজির হয় বর্ষাকাল। । পৃথিবীর আর কোনো দেশে ঋতু হিসেবে বর্ষার স্বতন্ত্র কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। এই ঋতু যেন শুধু আমাদেরই ঋতু। কদম ফুলের স্নিগ্ধ ঘ্রাণ যুগে যুগে নগরবাসী কিংবা গ্রামবাসীকে মুগ্ধ করতে
এসেছে। তাই বর্ষা কবিদের ঋতু, এমন কী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ও প্রিয় ঋতু।
বর্ষা এবং প্রেম যেন একে অপরের পরিপূরক। মেঘলা আকাশ, রিমঝিম বৃষ্টি আর কদম ফুলের গন্ধ মানব মনে এক প্রেমের জোয়ার এনে দেয়। তখন দুই জনের কাছাকাছি আসার এক গভীর আকুলতাও তৈরি হয়।বৃষ্টির সঙ্গে আমাদের প্রেম সেই আদিকাল থেকেই। বৃষ্টি আমাদের প্রথম প্রেমিক, প্রথম প্রেমিকা, বর্ষায় জমে ওঠে অনন্য প্রেম। বর্ষা নিয়ে রচিত হয়েছে কত যে গল্প, ছড়া, কবিতা, গান তার কোনো সংখ্যা নেই
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার বর্ষা মঙ্গল এবং অজস্র গানে বর্ষার প্রেম ও বিরহকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বৃষ্টির অঝোর ধারা যেন প্রেমিকার কান্না আর মেঘের ডাক যেন বিরহের বার্তা। বৃষ্টিতে ভিজে প্রিয়জনের হাত ধরে বসে কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে প্রিয় গান শোনার।
ষড়ঋতুর দেশ আমাদের সুজলা সুফলা বঙ্গভূমি। আষাঢ় ও শ্রাবণ এই দুই মাস নিয়ে বর্ষাকাল। পৃথিবীর আর কোনো দেশে ঋতু হিসেবে বর্ষার স্বতন্ত্র কোনো বৈশিষ্ট্য নেই। এই ঋতু যেন শুধু আমাদেরই ঋতু। কদম ফুলের স্নিগ্ধ ঘ্রাণ যুগে যুগে নগরবাসী কিংবা গ্রামবাসীকে মুগ্ধ করেছে।
বর্ষা এবং প্রেম যেন একে অপরের পরিপূরক।
রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের ভাষায়, আষাঢ়ের আগমনে আকাশ ছেয়ে যায়, বৃষ্টির সুবাস আসে। আষাঢ় মাস দিয়েই বর্ষাকাল শুরু। পূর্বাষাঢ়া ও উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র থেকে আষাঢ় নামটি এসেছে।ভারতে বর্ষাকালকে দীর্ঘকাল ধরেই সবচেয়ে রোমান্টিক ঋতু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বলিউডের গান থেকে শুরু করে হাতে লেখা কবিতা পর্যন্ত, ভালোবাসা যেন বৃষ্টির ফোঁটায় নেচে ওঠে। কিন্তু এটা কি শুধুই আবহাওয়া, নাকি আমাদের মন ও শরীরের ভেতরে এমন কিছু ঘটে যা আমাদের ভালোবাসার ধারণার দিকে টেনে নিয়ে যায়?নীল বা আকাশী শাড়ি পরে,একরাশ ঘন কেশদাম খুলে, গলায় বেলিফুলের মালা,পায়ের নুপুরের নিক্কনের শব্দ তুলে সবুজ প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারিয়ে যেতে বড্ড ইচ্ছে হয়।
